ঢাকা থেকে রুট
ঢাকা থেকে নেত্রকোণা ট্যুরিস্ট মিনিবাস ভাড়া
নেত্রকোণা ও বিরিশিরি হাওর অববাহিকার উত্তর কিনারে — নীল জল, সাদা মাটির পাহাড় ও সোমেশ্বরী — ঢাকা থেকে ট্যুরিস্ট কোচে প্রায় চার ঘণ্টা।

ফটোগ্রাফির দল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাব আর শান্ত সপ্তাহান্ত খুঁজতে যাওয়া পরিবার ৩০ আসনের মিনিবাস নেয়, যাতে দুর্গাপুর আর চীনামাটির পাহাড়ে যেতে লোকাল বাসে দল ভাগ হয়ে না যায়।
কিশোরগঞ্জের পর রাস্তা ম্যাপের হিসাবের চেয়ে ধীর হতে পারে। নদীতে সূর্যোদয় দেখতে চাইলে ঢাকা থেকে রাত ৩টায় রওনা না দিয়েও যাতে হয়, সেজন্য চালকের সময় আর রাত্রিযাপন ধরেই কোটেশন করি।
সিভিলিয়ানে গেলে লাগেজ হালকা রাখুন; ট্রাইপড, পিকনিকের সরঞ্জাম আর ২৫ জনের বেশি লোক একসঙ্গে গেলে কোস্টার নিন। যাত্রা শুরু হবে গুলশান কিংবা ঢাকায় আপনার ক্যাম্পাস থেকেই।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
- বিরিশিরি পৌঁছাতে চার ঘণ্টা কি বাস্তবসম্মত?
- পরিকল্পনা চার ঘণ্টারই, তবে কিশোরগঞ্জের পরের রাস্তা মানচিত্র যা বলে তার চেয়ে ধীর। আমরা আশাবাদী অনুমান নয়, বাস্তব রাস্তার হিসেবেই চালকের সময় ধরি — যাতে দিনের পরিকল্পনা মাঝপথে ভেঙে না পড়ে।
- ভোর ৩টায় না বেরিয়ে সোমেশ্বরীতে সূর্যোদয় দেখা যাবে?
- যাবে — রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা নিন। আমরা রাতের থাকার খরচসহ কোটেশন দিই, যাতে দল দুর্গাপুরের কাছেই রাত কাটিয়ে সকালে নদীর ধারে যেতে পারে; অন্ধকারে ঢাকা ছেড়ে ক্লান্ত হয়ে পৌঁছাতে হয় না।
- আমরা ফটোগ্রাফি ক্লাব, সঙ্গে ট্রাইপড ও পিকনিকের সরঞ্জাম — কোন কোচ?
- মালপত্র হালকা রাখলে নিসান সিভিলিয়ানই ভালো। ২৫ জন বা তার বেশি এবং সরঞ্জাম থাকলে টয়োটা কোস্টার নিন — কাদামাটির পাহাড় আর নদী ঘুরে পুরো দিনটা কোলের ওপর ব্যাগ নিয়ে কাটানোর মতো নয়।
- গুলশান নয়, আমাদের ক্যাম্পাস থেকে তুলে নেওয়া যাবে?
- যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবগুলো সাধারণত ক্যাম্পাস থেকেই রওনা দেয় — কোন গেট আর কোন সময়, জানিয়ে দিন; বুকিংয়েই সেটি লিখে রাখা হবে।
আপনার ভ্রমণ সাজাতে প্রস্তুত?
তারিখ আর দলের আকার জানান — কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কোটেশন নিশ্চিত করব।
